ব্রতচারী কেন্দ্রীয় নায়ক মণ্ডলী
“The Bratachari Movement — A Way of Life Rooted in Discipline, Harmony & Service”
শুধু নৃত্য গীতই নয় ব্রতচারী পরিচয় ,করিতে হবে সাথে কৃত্যালী সাধনা
ব্রতচারী কেন্দ্রীয় নায়ক মণ্ডলীর সংক্ষিপ্ত ইতিবৃত্তঃ-
ব্রতচারী নায়ক ব্রতচারী আন্দোলনের সৈনিক। ১৯৩২ সালে ব্রতচারী পরিচেষ্টায় প্রবর্তন হয়। ১৯৩২ ও ১৯৩৩ সালে শিবিরে যাঁরা শিক্ষাপ্রাপ্ত হলেন, তাদেরকে – “ব্রতচারী উস্তাদ” বলা হয়। কিন্তু ১৯৩৪ সালে শিক্ষাপ্রাপ্ত ব্রতচারীদের ‘নায়ক’ রূপে অভিহিত করা হ’লো। ব্রতচারী নায়কের কাজ আন্দোলনকে সংগঠিত ও ব্রতচারী ভাবধারার প্রসার করা। আন্দোলনের প্রথম যুগে বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের শিবিরে শিক্ষাগ্রহণের জন্য আহ্বান জানাতে হতো। উদ্দেশ্য, যা’তে ছাত্রদের ব্রতচারী ভাবধারাতে প্রভাবিত করা যায়। পরবর্তীকালে ব্রতচারী নায়ক ব্রতচারী আন্দোলনের সৈনিকরূপে চিহ্নিত হলেন এবং প্রধান নায়ককে নায়ক-আলা উপাধি দেওয়া হ’ল। ১৯৩২ থেকে ১৯৪১ সাল পর্যন্ত এই দশ বৎসরে বহু পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ঘাত-প্রতিঘাত, বিরুদ্ধ অবস্থার মধ্য দিয়ে, ব্রতচারী আন্দোলনকে অতিক্রম করতে হয়। আন্দোলনের প্রবর্তক গুরুজী গুরুসদয় দত্ত, একাধারে পরিচেষ্টার রূপরেখা, আন্দোলনের লক্ষ্য ও তাৎপর্য, গণনৃত্য ও গণসঙ্গীতের পুনরুদ্ধার ও পুনঃপ্রবর্তন এবং সর্বোপরি সর্বত্র প্রচারের উদ্দেশ্যে একাই চিন্তাভাবনা, পরিচালনা ও দেশবিদেশে ছুটোছুটি করেছেন। অন্ধকারের যুগ: সেদিন যাঁরা প্রতিষ্ঠাবান, উচ্চপদস্থ সরকারী কর্মচারী এবং গুরুজীর সহকর্মী বন্ধুবান্ধব তার পাশে এসে দাঁড়িয়েছিলেন, তাঁরা কিন্তু আন্দোলনের গভীরে প্রবেশ করতে সমর্থ হয়নি। তাই গুরুজীর তিরোধনের সঙ্গে সঙ্গে ব্রতচারী সংস্থার পরিচালকবৃন্দ অন্ধদের হাতী দেখার মত এক এক দিক্ দিয়ে কাজ করার ফলে, কারও কাজের মধ্যে সামগ্রিক ব্রতচারী ভাবধারার অভিব্যক্তি ঘটল না- ফল হল অভ্যন্তরীণ সংঘাত। ইতিমধ্যে ১৯৪২ থেকে ১৯৪৭ সাল – ভারত ছাড়, আজাদ হিন্দ ফৌজের আন্দোলন, মন্বন্তর, দাঙ্গা, দেশবিভাগ ইত্যাদি ঘটনায়- ব্রতচারীর মত সাংস্কৃতিক আন্দোলন স্তব্ধ হয়ে গিয়েছিল। আগের জের টেনে এই শতাব্দীর পঞ্চম দশকে ব্রতচারী সংস্থায় মামলা-মকদ্দমার সূত্রপাত হ’লো। ১৯৫১ সালে নায়ক- আলা নবনীধর বন্দ্যোপাধ্যায় আহ্বান জানালেন সক্রিয় নায়কদের। উদ্দেশ্য – ব্রতচারী পরিচেষ্টার পুনর্জাগরণ।
দিশাহারা, বিপর্যস্ত ও কর্ণধারাবিহীন ব্রতচারী পরিচেষ্টাকে সংহত করার জন্য নায়ক-আলা নবনীধর বন্দ্যোপাধ্যায় সক্রিয় নায়কদের এক সভা আহ্বান করেন এবং প্রস্তাব
দেন যে, অবিলম্বে যেন একটি ব্রতচারী নায়কমণ্ডলী স্থাপন করা হয়। প্রসঙ্গত আলাজী ও অন্যান প্রবীন ব্রতচারীরা জানান যে, গুরুজী গুরুসদয় দত্ত স্বয়ং মণ্ডলী সংগঠনের কথা ভেবেছিলেন, পল্লী সংগঠকদের সংঘবদ্ধ করে। এই শব্দটি তিনি ১৯২৭-৩২ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে ব্যবহার করেছিলেন। এই প্রসঙ্গে ১৯২৭ সালের ১১ই মার্চ তারিখের গুহুজীর একটি প্রতিবেদন উল্লেখযোগ্য। নিচে উদ্ধৃতিটি দেওয়া হলো-
“প্রতি গ্রামে ও প্রতি পাড়ায় পল্লী সংগঠন কার্যের জন্য “মণ্ডলী” গঠন করিতে অনুরোধ করি। কেবল পুরুষদিগের মধ্যেই মণ্ডলী গঠন করিলে চলিবে না; মহিলাদিগের মধ্যে মণ্ডলী গঠন করিয়া তুলিতে হইবে।….. তাহা হইলে শীঘ্রই দেশের অশেষ মঙ্গল সাধিত হইবে ও পল্লী সংগঠন কেবল চীৎকারে পর্যবসিত না হইলে কার্যক্ষেত্রে ফুটিয়া উঠিবে।”
৫৮ চৌরঙ্গী, কলিকাতা
(স্বাঃ গুরুসদয় দত্ত)
ব্রতচারী ১১ই মার্চ ১৯২৭
ব্রতচারী আন্দোলনের সংঘবদ্ধ সাংগঠনিক কাজের অগ্রদূত এই পল্লী-সংগঠক মণ্ডলী। প্রয়াত শ্রী সরসী লাল সরকার গুরুজীর আশিসধন্য হয়ে এই কাজের ভার নিয়েছিলেন। গুরুজী লিখিত আরেকটি প্রতিবেদনের উল্লেখ নিম্নরূপ- “জ্ঞানে ও কর্মে পূর্ণতা লাভকরিবার বন্দোবস্ত করিতে হইবে। প্রত্যেক নরনারী যদি জ্ঞানে ও কর্মে সম্পূর্ণ শিক্ষা লাভ না করেন, তাহা হইলে জাতীয় উন্নতি অসম্ভব। আর সমগ্র জাতির প্রত্যেক নরনারীকে জ্ঞানে ও কর্মে সুশিক্ষিত করিতে হইলে, শুধু স্কুলের শিক্ষার উপর নির্ভর করিয়া থাকিলে চলিবে না। পূর্ণবয়স্কদিগের শিক্ষা ও সংগঠন ব্যতীত জাতীয় উন্নতি অসম্ভব। পূর্ণবয়স্কদিগের জ্ঞান ও কর্মে সুশিক্ষিত করিবার একমাত্র উপায় মণ্ডলীবদ্ধ প্রণালীতে সংগঠন। প্রতি গ্রামে, প্রতি পাড়ায় মণ্ডলী গঠন করিয়া সর্ব বিষয়ে তথ্য প্রচারের ব্যবস্থা করিতে হইবে ও অর্থকরী শিল্পশিক্ষার ব্যবস্থা করিতে হইবে। তাহা হইলেই অচিরে অজ্ঞনতা, রোগ ও দারিদ্রের নিরাকরণ সম্ভবপর হইবে।”
এরপর ১৯৫২ সালে সত্যিই স্বপ্ন হলো সার্থক। গঠিত হলো ব্রতচারী নায়কমণ্ডলী। আলাজী স্বয়ং হলেন মণ্ডলীর প্রধান।
সর্বভারতীয় প্রতিষ্ঠানরূপে ব্রতচারী নায়ক মণ্ডলী- শেষ নায়ক শিবির হয়েছিল ১৯৪১ সালে। এই শতাব্দীর ষষ্ঠ দশকে ব্রতচারী নায়কমণ্ডলী সম্পূর্ণ মৌলিক পরিকল্পনায় ৪টি স্তরে ব্রতচারী শিক্ষাক্রমকে ভাগ করে প্রবর্তন করলেন পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাক্রম। সঙ্গে সঙ্গে বিভিন্ন আলির প্রতীক শিক্ষাও শুরু হয়েছে। উপরি-উক্ত শিক্ষাব্যবস্থা যাতে সর্বগ্রাহ্য হয় এবং সর্বভারতীয় প্রতিষ্ঠানরূপে এর ব্যপ্তি ঘটে, সেই উদ্দেশ্যে ১৯৬১ সালের জুলাই মাসে সাধারণ সভায় “ব্রতচারী কেন্দ্রীয় নায়ক মণ্ডলী”- নাম সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয় এবং বিধিবদ্ধ সংগঠন হিসাবে নথীভুক্ত (Registration as per Societies Act) করা হয়। গুরুজীর ভাগিনেয় এবং যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের রেক্টর শ্রী ত্রিগুণা সেন মণ্ডলীর বিশেষ সদস্যপদ গ্রহণ করেন। এই শতাব্দীর ষষ্ঠ দশকে মণ্ডলীপ্রধান রূপে ডক্টর অরবিন্দ বড়ুয়া, ডক্টর এ. গোস্বামী, অধ্যক্ষ প্রশান্ত বসু ও হরিশংকর দত্ত।
এই প্রথম ব্রতচারী সংগঠনের নিজস্ব নায়ক গড়ে উঠতে থাকে প্রতীক পরীক্ষার মাধ্যমে, তারই সঙ্গে শুরু হয় নিখিলবঙ্গ ব্রতচারী ও লোকনৃত্য শিবির ১৯৬২ থেকে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত। একাদিক্রমে এগারোটি নিখিলবঙ্গ ব্রতচারী প্রতিষ্ঠা উৎসব ও লোক উৎসব; আঞ্চলিক শাখামণ্ডলী গঠন ও ফৌজাল প্রথা প্রবর্তন; পশ্চিম ও উত্তর ভারতে ব্রতচারী অভিযান এবং বাংলা, বিহার ও উড়িষ্যার গবেষণা শিবিরে সংগৃহীত হয় বোলান, গাজন, রণ-পা, পাতাঞেলে, বধূবরণ, ভুয়াং, পাইক, ছৌ ও সর্বভারতীয় ভাংড়া, গরবা, রাস, হোলি বিহু ইত্যাদি। প্রদর্শিত হয় সমাবেশে, শেখানো হয় শিক্ষাকেন্দ্রে, অন্তর্ভূক্ত মণ্ডলীতে, সংঘে ও অন্যান্য রাজ্যমণ্ডলীতে। সত্তরের দশক নতুন কার্যক্রম ১৯৭০ সালে ছান্দারে সংগঠিত হল পূর্ণাঙ্গ শিবির শিবিরাধ্যক্ষ আলাজী এবং প্রধান কর্মসচিব অমিতাভজী (অধুনা প্রয়াত)। শিবির শেষে আলাজী ব্রতচারী আন্দোলনের দায়িত্ব তুলে দিলেন অমিতাভজীর হাতে।
১৯৭৩ সালে, পশ্চিমবঙ্গ যোজনা পর্ষদের সদস্য অমিতাভজীর সুপারিশক্রমে, পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ ব্রতচারী নৃত্যালিকে শারীর শিক্ষার অন্তর্ভুক্ত করলেন। ১৯৭৪ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ব্রতচারী আন্দোলনে জীবিকার সন্ধান চলতে লাগল, প্রচার হোল ব্রতচারী নাচের, অবলুপ্ত মুখ্য উদ্দেশ্য। ১৯৭৭ সালে তৃতীয় নায়ক মহা-সম্মেলনে আন্দোলনকে জীবনধর্মী, অপসংস্কৃতি-বিরোধী ও ক্যাডারভিত্তিক করার কর্মসূচী গ্রহণ করা হোল।
সাংস্কৃতিক বিপ্লবের পথে ব্রতচারী আন্দোলন: ১৯৭৯ সালের শেষের দিক থেকে আন্দোলন নতুন রূপ নিল। কারিগরী শিক্ষা, নিরক্ষরতা দূরীকরণ, অপসংস্কৃতিবোধ এবং সমাজ বিপ্লবের রূপরেখা, যা ব্রতচারী আন্দোলনের মর্মকথা, তার প্রতিষ্ঠার জন্য পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও ভারতের ৮টি রাজ্যে গড়ে উঠল রাজ্যমণ্ডলী। গুরুজীর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী ১৯৮০ সালে সদলবলে ব্রতচারী দলের ইউরোপ ভ্রমণ ও ব্রতচারীর আদর্শ প্রচার আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে চিহ্নিত করল ব্রতচারী কেন্দ্রীয় নায়কমণ্ডলীকে। ১৯৮১ সালে নিখিল ভারত ত্রয়োদশ ব্রতচারী ও লোকনৃত্য শিবির অনুষ্ঠিত হল কৃষ্ণনগরে। ১৯৮১ সাল আন্দোলনের ৫০ বৎসর এবং ১৯৮২ সাল প্রবর্তক গুরুসদয় দত্তের একশত পূর্তী বর্ষে, গ্রামে গ্রামে বিধিবিমুক্ত শিক্ষাকেন্দ্র পরিচালনা, জেলায় জেলায় স্ব-নির্ভরশীল কারিগরী শিক্ষার প্রসার উদ্দেশ্যে ব্রতচারীগ্রাম স্থাপন কেন্দ্রে লোকায়ত সংস্কৃতি ভবন প্রতিষ্ঠা এবং ক্যাডারভিত্তিক আঞ্চলিক মণ্ডলী গঠনের কার্যক্রম সংগঠিত হয়েছিল।
১৯৮৩ সালে গঠিত হয়েছিল “Bratachari International”, যাঁরা ঘুরেছেন দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, গুজরাট, দিল্লী, বোম্বে, মধ্যভারত, ইংল্যাণ্ড, মধ্য-প্রাচ্য, মালোশিয়া, শ্রীলঙ্কা, সমগ্র আরব দেশ ও নেপাল
Bratachari Central Nayak Mandali – Training
ব্রতচারী আন্দোলনের লক্ষ্য—শরীর, মন, সমাজ ও সংস্কৃতির সুষম বিকাশ। এই লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করতে কেন্দ্রীয় নায়ক মণ্ডলী গ্রাম ও শহরের বিভিন্ন স্কুল, কলেজ, সামাজিক প্রতিষ্ঠান, ক্লাব ও বেসরকারি সংগঠন-এ নিয়মিতভাবে নিচের প্রশিক্ষণ পর্যায়সমূহ পরিচালনা করে থাকে।
১. ব্রতমনি পর্যায়
লক্ষ্যগ্রুপ: শিশু
পদ্ধতি: ছড়া, ছন্দ ও আনন্দমুখর কার্যকলাপের মাধ্যমে প্রাথমিক ব্রতচারী অনুশীলন
বিশেষত্ব: শিশুদের নৈতিক চেতনা, শৃঙ্খলা ও দলগত আবহ তৈরি করা
২. আনন্দ পর্যায়
লক্ষ্যগ্রুপ: ১২+ বয়সী শিক্ষার্থী
সময়সীমা: ১২ দিন
উদ্দেশ্য: ব্রতচারীর মৌলিক দীক্ষা—শরীরচর্চা, গান, নাচ, খেলা ও মূল্যবোধ ভিত্তিক আচরণ গঠন
ফলাফল: আত্মবিশ্বাস, সহযোগিতা ও নেতৃত্বের ভিত্তি তৈরি
৩. জ্ঞান পর্যায়
লক্ষ্যগ্রুপ: ১৩+ বয়সী শিক্ষার্থী
সময়সীমা: ১৫ দিন
উদ্দেশ্য: ব্রতচারী দর্শনের গভীরতর জ্ঞান অর্জন ও প্রয়োগ
ফোকাস: চরিত্র নির্মাণ, সামাজিক দায়িত্ববোধ, সাংস্কৃতিক চর্চা
ফলাফল: সচেতন ও সুশৃঙ্খল ব্রতচারীর বিকাশ
৪. প্রাক নায়ক পর্যায়
লক্ষ্যগ্রুপ: ১৪+ বয়সী শিক্ষার্থী
সময়সীমা: ৭ দিন
ধরণ: সম্পূর্ণ আবাসিক শিবির
উদ্দেশ্য: উন্নত শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব, দলে কাজ করার দক্ষতা ও প্রশিক্ষণ পরিচালনার প্রাথমিক অভিজ্ঞতা
ফলাফল: নায়ক পর্যায়ের পূর্বপ্রস্তুতি সম্পন্ন করা
৫. নায়ক পর্যায়
ধরণ: আবাসিক শিবির
অবস্থা: ব্রতচারী প্রশিক্ষণের চূড়ান্ত ধাপ
উদ্দেশ্য: নেতৃত্ব বিকাশ, দায়িত্বগ্রহণ, প্রশিক্ষক হিসেবে দক্ষতা অর্জন
ফলাফল: স্বীকৃত ব্রতচারী নায়ক হিসেবে সমাজে সক্রিয় ভূমিকা পালনে সক্ষমতা
৬. বিশেষ জ্ঞান পর্যায়
লক্ষ্যগ্রুপ: B.Ed, D.El.Ed, B.P.Ed প্রভৃতি শিক্ষক-প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট
উদ্দেশ্য: ব্রতচারী পদ্ধতির বিশেষায়িত শিক্ষণ-পদ্ধতি, মানসিক-শারীরিক বিকাশ, মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষা
ফলাফল: ভবিষ্যৎ শিক্ষকদের জন্য কার্যকর ব্রতচারী প্রশিক্ষণ দক্ষতা
৭. নবায়নী
পরিচিতি: এটি কোনো পৃথক প্রশিক্ষণ পর্যায় নয়।
যোগ্যতা: নায়ক পর্যায় উত্তীর্ণ সমস্ত ভাই-বোনই নবায়নী হিসেবে পরিচিত।
অর্থ: যাঁরা ব্রতচারী আদর্শকে আজীবন ধারণ করে, সমাজে সেবা ও নেতৃত্ব প্রদান করেন।
প্রশিক্ষণ বিভাগ
TRAINER
TRAINER
TRAINER
TRAINER
TRAINER
TRAINER
ব্রতচারী কেন্দ্রীয় নায়ক মণ্ডলীর সঙ্গে যুক্ত হওয়ার আহবান
ব্রতচারী আন্দোলন শুধু একটি প্রশিক্ষণ নয়—এটি শরীর, মন, সমাজ ও সংস্কৃতির সমন্বিত বিকাশের পথ। আজকের প্রজন্মের কাছে প্রয়োজন চরিত্রবান, দায়িত্বশীল ও নেতৃত্বগুণসম্পন্ন মানুষ, যারা মানবিক মূল্যবোধকে জীবনে বাস্তবায়ন করতে পারে। ব্রতচারী কেন্দ্রীয় নায়ক মণ্ডলী সেই লক্ষ্যেই বহু দশক ধরে বিদ্যালয়, কলেজ, ক্লাব ও সামাজিক প্রতিষ্ঠানগুলিতে নৈতিক শিক্ষা, শরীরচর্চা, লোকসংস্কৃতি ও নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ দিয়ে আসছে।
আপনিও যদি নিজেকে বদলাতে চান, সমাজের জন্য কিছু করতে চান এবং নেতৃত্বের মাধ্যমে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে চান—তাহলে এখনই যোগ দিন আমাদের সঙ্গে।
Subscribe Our Newsletter